হুমায়ুন কবীরের দলের সঙ্গে জোট নিয়ে কোনও কথাই হয়নি, জানিয়ে দিলেন আইএসএফ চেয়ারম্যান নওশাদ সিদ্দিকী
সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অবিরাম হিংসা উদ্বেগজনক’! বাংলাদেশে দীপু দাসের পর অমৃত মণ্ডলের হত্যা নিয়েও প্রতিক্রিয়া ভারতের
বছর শেষ, কবে DA মামলার রায়দান করবে সুপ্রিম কোর্ট? মলয় মুখোপাধ্যায় বললেন, জানুয়ারি মাসের…
SIR In Bengal: BLO অ্যাপে আনম্যাপড নিয়ে নতুন নির্দেশিকা CEO দফতরের
বাংলাদেশে কর্মরত ভারতীয়দের ‘ওয়ার্ক পারমিট’ বাতিলের দাবি হাদির সংগঠনের, দিল্লির বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ার জন্য চাপসৃষ্টি
প্রত্যেক SIR শুনানি কেন্দ্রের পাশে হবে তৃণমূলের সহায়তা শিবির, ঘোষণা অভিষেকের
কোরান নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য, অসীম সরকারকে ‘কুচি কুচি করে কাটা’র হুমকি, অভিযোগ দায়ের বিধায়কের
বিজেপিকে রুখতে এক ছাতার তলায় বাম-তৃণমূল! অঘোষিত জোটের ধাক্কায় পূর্ব মেদিনীপুরে সমবায় ভোটে খাতাই খুলল না পদ্মের প্রার্থীদের

কলকাতা কি ইডি - সিবিআইয়ের বড় অভিযান হবে? পারে পারে অফিসার আসছেন দিল্লি থেকে

 আইপ্যাকের ডিরেক্টর প্রতীক জৈনের (IPAC Prateek Jain) বাড়িতে ইডি-র অভিযানের (IPAC ED raid) পর এক সপ্তাহও কাটেনি। কলকাতায় ইডি (ED) ও সিবিআই (CBI) তথা কেন্দ্রীয় দুই তদন্ত এজেন্সির সম্ভাব্য অভিযান নিয়ে চরম উৎকন্ঠার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। 


image
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজীব কুমার 




সূত্রের দাবি, গত কয়েক দিনে দু’শো-র বেশি তদন্ত অফিসার কলকাতায় এসেছেন। কেন্দ্রীয় সরকারি হস্টেল ও ছড়িয়ে ছিটিয়ে কিছু হোটেলে রাখা হয়েছে তাঁদের। এমনকি যুযুধান দুই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ তৃণমূল ও বিজেপির একাংশে এও রটে গেছে যে আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বড় কিছু ঘটে যেতে পারে। 


লাউডন স্ট্রিটে প্রতীকের ফ্ল্যাটে ও সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে ইডি-র তল্লাশির (ED Raid IPAC Kolkata) সময়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তাঁর সঙ্গে রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার (Rajeev Kumar) ও কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা (Manoj Verma) সহ সিনিয়র কিছু পুলিশ অফিসার ছিলেন। ফেডারেল তদন্ত এজেন্সির কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়েছে। সেই মামলায় পুলিশ কর্তাদেরও নাম উল্লেখ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সির সম্ভাব্য অভিযান সেই সূত্র ধরেই হবে কিনা স্পষ্ট নয়।




তবে সূত্র মারফৎ এ টুকু জানা যাচ্ছে যে, বেআইনি লেনদেনের অভিযোগে ইন্ডিয়ান পলিটিকাল অ্যাকশন কমিটি তথা আইপ্যাকের বিরুদ্ধে আগামী দিনে আরও অভিযান ও ধরপাকড় হতে পারে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রতীক জৈনকে ডেকে পাঠানো হতে পারে দিল্লিতে।


সিবিআই (CBI) বা ইডি-র (ED Raid) অভিযান বলে কয়ে হয় না। এ ব্যাপারে আগাম কোনও ইঙ্গিতও দেয় না এই দুই তদন্ত এজেন্সি। অতীতে অটলবিহারী বাজপেয়ী ও মনমোহন সিং জমানায় এই গোপনীয়তা আরও জোরালো ছিল। তবে ইদানীং অভিযোগ হল, ভোটের আগে এ ধরনের অভিযানের সঙ্গে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও বিধেয় মিশে গেছে।


উৎকন্ঠা ও উৎসাহ-র কারণও সম্ভবত সেই কারণেই। শাসক দলের একাংশের মধ্যে উৎকন্ঠা তৈরি হয়েছে যে কয়লা পাচার (Coal Smuggling) ও বেআইনি লেনদেনের অভিযোগে তিন জন মন্ত্রীকে ভোটের আগেই গ্রেফতার করা হতে পারে। সেই সঙ্গে রাজ্য রাজনীতির এক জন বড় নেতার আপ্ত সহায়কের উপর কেন্দ্রীয় এজেন্সির নজর রয়েছে বলেও শাসক দলের মধ্যে গুঞ্জন রয়েছে। সেই আপ্ত সহায়ককে এর আগেও একবার নোটিস পাঠিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।


শাসক দলের একাংশে যখন উৎকণ্ঠা দেখা যাচ্ছে, তখন বিজেপি নেতাদের মধ্যে উৎসাহও চোখে পড়ার মতো। সদ্য রাজ্য কমিটির সদস্য হয়েছেন এমন এক নেতার কথায়, ‘শুনছি তো সাম দাম দণ্ডভেদ সবই প্রয়োগ করা হবে, কোনও চোর ডাকাতকে ছাড়া হবে না। তবে ভোটের আগে না করে এটা আগেই করতে পারত।’


আবার নয়াদিল্লির সূত্রের খবর, রাজনৈতিক নেতাদের কার কার বিরুদ্ধে কী অভিযান বা তদন্ত হবে সেটা স্পষ্ট নয়। তবে বেশ কিছু আমলা ও পুলিশ কর্তা নজরে রয়েছেন। বিশেষ করে তদন্তের কাজে যেভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে, তা মোটেও বরদাস্ত নয়। কারণ, এবার তা মেনে নিলে এটাই জাতীয় স্তরে ট্রেন্ডে পরিণত হয়ে যেতে পারে।



Post a Comment

0 Comments