![]() |
| মমতা ও শুভেন্দু অধিকারী।-ফাইল ছবি |
শুভেন্দু আরও লেখেন, মুখ্যমন্ত্রী হয়তো বুঝে উঠতে পারছেন না এই অভিযোগের কী জবাব দেবেন। সেই সঙ্গে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি জানান, এবার আদালতেই এই বিষয়টির নিষ্পত্তি হবে। তাঁর মন্তব্য, 'এবার আইনি পরিণতির মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন। আদালতেই দেখা হবে।'
- মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়েরের হুঁশিয়ারি দিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়েরের হুঁশিয়ারি দিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই তাঁকে আইনজীবীর মাধ্যমে একটি আইনি নোটিস পাঠানো হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও কোনও জবাব না মেলায় এ বার সরাসরি আইনি লড়াইয়ের পথে হাঁটার ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু।
শুভেন্দুর দাবি, গত শুক্রবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে মানহানির নোটিস পাঠান, যেখানে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রামাণ্য নথি দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও মুখ্যমন্ত্রীর তরফে কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি। সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে বিরোধী দলনেতা লেখেন, মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতাই প্রমাণ করছে যে তাঁর করা অভিযোগের কোনও বাস্তব ভিত্তি নেই। শুভেন্দুর কথায়, তাঁর নাম কয়লা কেলেঙ্কারিতে জড়িত বলে যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ কল্পনাপ্রসূত।
শুভেন্দু আরও লেখেন, মুখ্যমন্ত্রী হয়তো বুঝে উঠতে পারছেন না এই অভিযোগের কী জবাব দেবেন। সেই সঙ্গে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি জানান, এবার আদালতেই এই বিষয়টির নিষ্পত্তি হবে। তাঁর মন্তব্য, 'এবার আইনি পরিণতির মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকুন। আদালতেই দেখা হবে।'
আইনি নোটিসে শুভেন্দুর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, মুখ্যমন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছেন যে কয়লা দুর্নীতিতে শুভেন্দু অধিকারী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যুক্ত। শুধু তাই নয়, মুখ্যমন্ত্রী নাকি এ সংক্রান্ত নথি তাঁর কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেছেন। এই ধরনের মন্তব্যে শুভেন্দুর সামাজিক মর্যাদা ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে বলে নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই কারণেই মুখ্যমন্ত্রীর কাছে থাকা কথিত প্রমাণপত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জমা দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
এই ঘটনার প্রেক্ষাপট হিসেবে উঠে আসছে সাম্প্রতিক ইডি অভিযান। গত বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকার এবং তৃণমূলের পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাকের দফতরে হানা দেয় ইডি। আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। ওই দিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মুখ্যমন্ত্রী ইডি ও বিজেপির বিরুদ্ধে ‘আঁতাত’-এর অভিযোগ তোলেন এবং পরদিন কলকাতায় পদযাত্রা করে আবারও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে নিশানা করেন।

0 Comments